পোস্টগুলি

মে, ২০২৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

কুমিল্লা, বুড়িচংয়ের শ্বেত পাগলা //

ছবি
 বুড়িচংয়ের শ্বেত পাগলা কাল ছিল বৈশাখের ২৭ তারিখ। কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার রামনগর গ্রামে আজও কেউ সন্ধ্যার পর গোমতী নদীর পুরনো বাঁধের দিকে যায় না। যারা গেছে, ফেরেনি। যারা ফিরেছে, তারা আর কথা বলে না। আমি রাকিব। ঢাকায় সাংবাদিকতা করি। তিন মাস আগে আমার দাদা মারা গেলেন। মৃত্যুর আগে তিনি শুধু একটা কথা বলেছিলেন, "রাকিব, দাদার বাড়ির পেছনের বটগাছটা কেটো না। ওখানে আমি বাঁচিয়ে রেখেছি তোদের।" দাদার বাড়ি রামনগরে। কুমিল্লা শহর থেকে সিএনজিতে ৪৫ মিনিট। ছোটবেলায় প্রতি ঈদে যেতাম। তখনও গ্রামটা শান্ত ছিল। এখন শুনি রাতে কুকুরগুলো একসাথে ডেকে ওঠে, তারপর হঠাৎ চুপ। যেন কেউ ওদের মুখ চেপে ধরে। দাদার মৃত্যুর পর জমি-জমার ভাগবাটোয়ারা করতে আমাকে যেতেই হলো। মা বললেন, "যাস না বাবা। তোর দাদা মরার আগে তিন রাত ঘুমায়নি। বলতো, ও আসতেছে।" কে আসতেছে জিজ্ঞেস করলে বলতেন না। শুধু তাকিয়ে থাকতেন গোমতীর দিকে। বৈশাখের প্রথম সপ্তাহে গেলাম রামনগর। বাড়িটা আগের মতোই আছে। টিনের চাল, মাটির দেয়াল। পেছনে সেই বুড়ো বটগাছ। গাছের গুঁড়ি এত মোটা যে পাঁচজন ধরে ঘিরতে হয়। চাচা বললেন, "গাছটা কাটতে হবে রাকিব। শিকড় বাড়ির ব...

রামিসা এখন আকাশের তারা*

ছবি
 রামিসা এখন আকাশের তারা* স্কুলের ব্যাগটা তখনো নতুন। মায়ের হাতে সেলাই করা লাল ফিতেটা এক কোণে একটু ছিঁড়ে গিয়েছিল। রামিসা বলেছিল, “আম্মু, কাল স্কুলে গিয়ে স্যারকে দেখাবো। বলবো আমার মা নিজে বেঁধে দিয়েছে।” সাত বছরের মেয়েটার চোখে তখন সারাদিনের স্বপ্ন। প্রথম সাময়িক পরীক্ষায় সে অংকে ১০০ পাবে। পেলে মা তাকে আইসক্রিম কিনে দেবে। পল্লবীর ছোট্ট বাসার বারান্দায় দাঁড়িয়ে সে গুনছিল কতদিন বাকি। মঙ্গলবার সকালটা অন্য দিনের মতোই শুরু হয়েছিল। মা চুল বেঁধে দিল, বাবা পকেটে দুটো টাকা গুঁজে দিল। “সাবধানে যাস মা।” রামিসা হাসি দিয়ে দরজার বাইরে পা রাখল। স্কুল মাত্র দুই মিনিটের রাস্তা। কিন্তু সে স্কুলে পৌঁছায়নি। মা যখন বিকেলে স্কুল থেকে ফিরে আসা বাচ্চাদের ভিড়ে রামিসাকে খুঁজে পেল না, তখন তার বুকের ভেতরটা কেমন যেন ফাঁকা হয়ে গেল। পুরো গলি তন্ন তন্ন করে খোঁজার পর, প্রতিবেশীর ফ্ল্যাটের দরজার সামনে সে থমকে দাঁড়াল। রামিসার ছোট্ট স্যান্ডেলটা দরজার বাইরে পড়ে আছে। ধুলোয় মাখা। তারপর আর কিছু মনে নেই। শুধু মনে আছে, পুলিশ এসেছিল। দরজা ভেঙেছিল। খাটের নিচ থেকে একটা ছোট্ট শরীর বেরিয়ে এলো। মাথা নেই। মাথাটা পাওয়া গেল বাথরুমে। পল্লব...

মরুভূমির বিয়ের রাত

ছবি
মরুভূমির বিয়ের রাত আমি রুবাইয়া। দুবাইয়ে জন্ম, বড় হয়েছি শারজার একটা ছোট ফ্ল্যাটে। মা মারা যাওয়ার পর বাবা বলত, “তোর গলায় আল্লাহর নেয়ামত আছে মা।” সেই নেয়ামতই আমাকে টেনে নিয়ে গেল মরুভূমির সবচেয়ে ভয়ংকর রাতে। আমি প্রফেশনে _টাগ্গাকা_। গালফের ধনী আরব পরিবারের মেয়েদের বিয়েতে গান গাই। মুখ দেখানো মানা, তাই শুধু আওয়াজ যায় মজলিসে। রাত ১টায় ফোনটা বাজল। অচেনা নাম্বার।   “রুবাইয়া? আমি আমিরা। আগামীকাল রাতে একটা ছোট আয়োজন আছে। আল-মাহা মরুভূমির কাছে, পুরোনো দাদার খামারবাড়িতে। পেমেন্ট ডবল দেব। শুধু তুমি আর তোমার দুইজন ব্যান্ডমেট আসবে। কাউকে বলো না।” কণ্ঠটা খুব নরম, কিন্তু কেমন যেন ধাতব। আমি না করতেই যাচ্ছিলাম। কিন্তু ভাড়ার চিন্তা, অসুস্থ বাবার ওষুধের টাকা… আমি হ্যাঁ বলে দিলাম। পরদিন সন্ধ্যা ৮টা। আমরা তিনজন একটা সাদা ভ্যানে রওনা হলাম। ড্রাইভার কথা বলে না। গাড়ি যত মরুভূমির ভেতরে ঢোকে, মোবাইলের নেটওয়ার্ক মরে যায়। ৪০ মিনিট পর একটা বিশাল সাদা ম্যানশন দেখা গেল। চারদিকে খেজুর গাছ, মাঝে কৃত্রিম ঝরনা। কিন্তু আশ্চর্য, বাইরে একটাও গাড়ি নেই।   দরজা খুলল এক বুড়ি। মুখে নিকাব, চোখ দুটো অসম্ভব কালো। “দ...

আয়নার পেছনের হাসি*

আয়নার পেছনের হাসি* গ্রামের নাম ছিল ধলাপাড়া। নামের সাথে মিল নেই, কারণ এখানে রাত নামলেই চারদিক কালো হয়ে যেত, যেন কেউ কালি ঢেলে দিয়েছে।  আমি রাফি। শহর থেকে ফিরেছি দাদার শ্রাদ্ধের পরে। পুরনো দোতলা বাড়িটা এখন আমার। কেউ থাকে না। শুধু আমি আর দেয়ালে ঝুলে থাকা একটা বড় আয়না। আয়নাটা দাদার। বলে গেছিল, "এটা বেচিস না রে। এটায় তোর মা হাসে।" মা মারা গেছে আমি যখন দশ বছরের। তখন থেকে আয়নায় মাকে দেখি না। শুধু নিজের মুখ দেখি। কেমন ফ্যাকাসে। প্রথম রাতে কিছু হয়নি। দ্বিতীয় রাতে শুনলাম আয়নার পেছন থেকে খিলখিল হাসি। মেয়েলি হাসি। প্রথমে ভাবলাম বিড়াল। উঠে দেখলাম, কেউ নেই। আয়নায় শুধু আমি। কিন্তু হাসিটা থামে না। তৃতীয় রাতে আমি জিজ্ঞেস করলাম, "কে তুমি?" আয়নায় আমার ঠোঁট নড়ল না, কিন্তু উত্তর এলো, "আমি তোর মা রে।" বুকের ভেতরটা ধক করে উঠল। কষ্ট। দশ বছর পর মায়ের গলা শোনা। কিন্তু গলাটা কেমন ভেজা। কান্নার মতো। "তুমি কই মা? আমি তোমায় দেখতে পাচ্ছি না।" "আয়নার পেছনে রে। তুই ডাকলি, তাই আসলাম। কিন্তু বের হতে পারি না। ওরা আটকে রেখেছে।" "কে আটকেছে?" আয়নাটা ঝাপসা হয়ে গেল। ...

পরক্রিয়া প্রেমের শেষ পরিনতি

  পরক্রিয়া প্রেমের শেষ পরিনতি চরপাড়া গ্রামটা পদ্মার বুকে একটা ফোঁটা। চারপাশে ধানক্ষেত, মাঝখানে কাঁচা রাস্তা। রাত হলেই নদীর হাওয়ায় বাঁশের বন শনশন করে। বুড়োরা বলে, এই শনশন আওয়াজ মানুষের না, ডাঙায় উঠে আসা কিছু একটার নিঃশ্বাস। সুমন সেই গ্রামে আসে পাঁচ বছর আগে। কফিলের জমিতে দিনমজুর। গায়ের রং পোড়া, হাত শক্ত। দিনে মাঠে খাটে, রাতে নদীর ঘাটে বসে বাঁশি বাজায়। বাঁশিটা বাপের রেখে যাওয়া। বাপ মারা যাওয়ার পর আর কেউ সুর শেখায়নি। সুমন নিজে নিজে বাজায়। বেসুরো, তবু বাজায়। কারণ বাজালে পদ্মার অন্ধকারটা একটু কম কালো লাগে। নীলু মাতবরের ছোট মেয়ে। বয়স আঠারো। চোখ দুটো বড়, আর ভয় কম। মাতবর তিন মেয়ের বিয়ে দিয়ে দিয়েছে শহরে। নীলুকে ঘরে বন্দি করে রেখেছে। কারণ নীলু দেখতে একটু বেশি সুন্দর। আর সুন্দর মেয়ে মানে গ্রামে বিপদ। প্রথম দেখা হয় বর্ষার এক বিকেলে। পদ্মা ফুলে উঠেছে। ঘাটে পানি। সুমন বাঁশি বাজাচ্ছে। নীলু ছাদে কাপড় শুকাতে গিয়ে শুনতে পেল। সুরটা কেমন জানি টান দিল বুকের ভেতর। পরদিন আবার গেল। তারপর প্রতিদিন। কেউ কাউকে নাম বলেনি। শুধু চোখে কথা। সুমন বাঁশি থামিয়ে তাকায়। নীলু একটু হাসে। ব্যস। এই হাসিটাই সুমনের সাতদিনের ...

গ্রামের সেই ভয়ানক ভাইরাল রাস্তা : সুকান্তপুরের রহস্য`

ছবি
 গ্রামের সেই ভয়ানক ভাইরাল রাস্তা সুকান্তপুর গ্রাম। একসময় ছিল শান্ত, নিরিবিলি। এখন রাত নামলেই চারপাশে শুধু ফোনের আলো, লাইভ স্ট্রিম, আর দর্শকদের চিৎকার। গ্রামের পচা-পানা রাস্তাটা এখন ‘ভাইরাল রাস্তা’ নামে বিখ্যাত। কী ছিল সেখানে? শুরুটা হয়েছিল তিন বছর আগে। স্কুলশিক্ষক অরুণ সাহা রাতে গ্রামের মোড়ে দাঁড়িয়ে একটি ফেসবুক লাইভ দিচ্ছিলেন। হঠাৎ ক্যামেরায় ধরা পড়ল—এক নিমিষে তাঁর পেছনের রাস্তাটা চিকচিক করে উঠল, যেন সাদা আলোর শিরা বেয়ে যাচ্ছে। দর্শক হাজার ছাড়াল। কেউ বলল ভুতুড়ে ঘটনা, কেউ বলল বৈজ্ঞানিক ব্যাপার। কিন্তু এর পর থেকেই শুরু। রাত নেমে ওই রাস্তা পার হতে গেলে ফোনে ভিডিও রেকর্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয়ে যেত। যার স্মৃতিতে কোনো পুরনো আঘাত ছিল, সে এলে ক্যামেরায় ভেসে উঠত সে আঘাত—আসল না ভূত, কেউ বলতে পারত না। গল্পটা জানতে চান? ঠিক আছে, শোনো।;;;;; তখন শহরের এক ট্রাভেল ব্লগার মাধবী সোম। তার সাবস্ক্রাইবার চার লাখ। সে শুনল ‘ভাইরাল রাস্তা’ রহস্য। যেতে রাজি হলো এক দল সাংবাদিক আর প্যারাসাইকোলজিস্ট নিয়ে। পৌঁছুল রাত এগারোটায়। গোটা গ্রাম আলো ঝলমল—দূর থেকে মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল, নাশতার স্টল। গ্রামের কৃষক রমেশচ...

*শালবনের ডাক

*শালবনের ডাক*   *স্থান: কুমিল্লা, ময়নামতি শালবন বিহার* ২০২৬ সালের শীত। ঢাকা ইউনিভার্সিটির আর্কিওলজি ডিপার্টমেন্টের তিনজন ছাত্র — রাফি, তন্বী আর সজীব — ময়নামতিতে এক্সক্যাভেশনের কাজে এসেছে। কুমিল্লা শহর থেকে সিএনজি নিয়ে শালবন বিহারে পৌঁছাতে সন্ধ্যা হয়ে যায়। কেয়ারটেকার কাশেম চাচা সাবধান করে দিলেন, “বাবারা, রাত ১০টার পর বিহারের ভেতর যাইয়ো না। পুরান আমলের কথা, কিন্তু এইখানে রাইতে ‘চারুলতা’ ঘুরে।” চারুলতা? নাম শুনে তন্বী হেসে ফেলল। “চাচা, আপনারা এইসব কুসংস্কার এখনো মানেন?” রাত ১১টা। ক্যাম্পের তাঁবুতে শুয়ে রাফির ঘুম আসছিল না। হঠাৎ শুনল, দূরে শালবনের ভেতর থেকে কেউ ডাকছে — “রাফি... এই রাফি... একটু শুনবা?” গলাটা মেয়েলি, কান্না মেশানো। বুকটা ধক করে উঠল। গলাটা চেনা চেনা লাগছে। এটা তো... এটা তো ওর ছোটবেলায় হারিয়ে যাওয়া ফুপাতো বোন চারুর গলা! রাফি টর্চ নিয়ে তাঁবু থেকে বের হলো। কুয়াশায় ঢাকা শালবন। ১২০০ বছর পুরনো ইটের স্তূপগুলো অন্ধকারে দানবের মতো লাগছে। “কে? চারু নাকি?” রাফি ডাক দিল। “এইদিকে আয়, ভাই। আমি কূপের ভিতর পইড়া গেছি,” আওয়াজটা এবার স্পষ্ট বিহারের পেছনের পরিত্যক্ত কূপ...

চারুলতার জীবনের ভয়ানক এক রাত

  চারুলতার জীবনের ভয়ানক এক রাত Hasan__26 চারুলতা চৌধুরী। নামটার মতোই মিষ্টি ও কোমল স্বভাবের মানুষ তিনি। বয়স আটাশ, স্বামী প্রবীণ চৌধুরী কলকাতার বড় এক কোম্পানির কর্মকর্তা। চারুলতার দিনগুলো কেটে যায় ঘর গুছিয়ে, গান শুনে, বই পড়ে। কিন্তু তার জীবনে ছিল এক ভয়ানক রাত—যে রাতে তার সব বিশ্বাস, ভালোবাসা, নিরাপত্তার বেড়াজাল এক নিমেষে ধুলিসাৎ হয়ে যায়। বর্ষাকাল। জানলা দিয়ে টিপ টিপ বৃষ্টি পড়ছে। চারুলতা একা। স্বামী প্রবীণ অফিসের কাজে দিল্লি গেছেন চারদিনের জন্য। আজ তৃতীয় রাত। আগের দুই রাত কেটেছে স্বাভাবিক। কিন্তু আজ বিকেল থেকেই তার মনে অদ্ভুত এক অস্বস্তি। বাইরে বৃষ্টি বেড়ে যায়। সন্ধ্যার পর থেকে শহরে লোডশেডিং। মোমবাতি জ্বালিয়ে ঘরের কোণে বসে তিনি উপন্যাস পড়ছেন। রাত সাড়ে আটটা। দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ। চমকে ওঠেন চারুলতা। এই রাতে কে? ভৃত্য লক্ষ্মীর আজ ছুটি। পাড়ার পরিচিত কেউ? দরজার ফাঁক দিয়ে দেখেন—চারজন লোক। তিনজন পুরুষ, একজন মহিলা। মহিলাটি কাঁদছে। চারুলতা দরজা খুলতেই একজন বললেন, "ম্যাডাম, আমরা পুলিশ থেকে আসছি। আপনার স্বামী শ্রী প্রবীণ চৌধুরী।" চারুলতার বুকে ধড়ফড়। "কী হয়েছে?" পুলিশ অফিসার বললে...
* বট গাছের  পেত্নী * আমাদের গ্রামের শেষ মাথায় একটা ২০০ বছরের পুরনো বটগাছ ছিল। দিনের বেলায় ছেলেরা ওটার নিচে ক্রিকেট খেলতো, বুড়োরা তাস পিটাতো। কিন্তু সন্ধ্যা নামলেই জায়গাটা শ্মশান হয়ে যেত। দাদির মুখে শুনতাম, ওই গাছে নাকি এক পেতনি থাকে। তার নাম ছিল রাধা। ব্রিটিশ আমলে রাধার বিয়ে ঠিক হয়েছিল পাশের গ্রামের জমিদার বাড়ির ছেলের সাথে। বিয়ের দিন সন্ধ্যায় গায়ে হলুদের তত্ত্ব আসার কথা। রাধা নতুন লাল শাড়ি পরে, চোখে কাজল দিয়ে পুকুর ঘাটে অপেক্ষা করছিল। কিন্তু তত্ত্ব আর আসেনি। খবর এলো, জমিদারের ছেলে অন্য এক মেয়েকে নিয়ে কোলকাতা পালিয়েছে।  অপমানে, কষ্টে রাধা ওই রাতেই বটগাছের ডালে নিজের লাল ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলে পড়ে। গ্রামের লোক সকালে তার নিথর দেহ নামায়। সেই থেকে নাকি প্রতি অমাবস্যার রাতে রাধাকে বটগাছের মগডালে বসে থাকতে দেখা যায়। পা দোলায় আর ফুঁপিয়ে কাঁদে। অনেকেই শুনেছে তার চাপা কান্না। আমার বয়স তখন ২০ বছর । দলের সবচেয়ে সাহসী ছিলাম আমি, এবং অনেক বুদ্ধিমান ও ছিলাম, হাসান। বন্ধুরা চ্যালেঞ্জ দিলো, "তুই যদি অমাবস্যার রাতে বটগাছের গোড়ায় একটা লোহার পেরেক গেঁথে আসতে পারিস, তোকে ২০০০ টাকা দেব।" টাকার লোভ আর ন...